দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে নিয়মিত সরবরাহ করা হয় প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লাগার পর গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়।
এদিকে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। নতুন করে গ্যাস সরবরাহ বাড়ার খবরে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিল্প মালিকেরা। তবে যেসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে, সেখানে স্বাভাবিক সরবরাহ ফিরতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।
তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ নেওয়াজ পারভেজ বলেন, প্রথমে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলের চাহিদা পূরণ করা হবে। এরপর ঢাকাসহ তিতাসের আওতাধীন অন্যান্য এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বাড়বে। এ প্রক্রিয়ায় দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন গ্যাস সরবরাহ না থাকায় বিভিন্ন পাইপলাইনে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন করে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও সব এলাকায় তাৎক্ষণিকভাবে স্বাভাবিক চাপ ফিরে নাও আসতে পারে।
তিতাসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, গরমের কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তাদের জন্য বাড়তি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সেই বরাদ্দ বহাল রেখে লাইনে পাওয়া অতিরিক্ত গ্যাস থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানায় সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 


























