Dhaka ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

এলজিইডিতে বদলি-পদোন্নতি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, কেন্দ্রে প্রকৌশলী শফিকুর রহমান

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়ম, বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এই পুরো অনিয়মের মূল কারিগর হিসেবে অভিযোগের তিরে রয়েছেন প্রশাসন শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শফিকুর রহমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পদোন্নতির তালিকাভুক্ত হতে কর্মকর্তা ভেদে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত ‘নজরানা’ দিতে হতো। পাশাপাশি বিভিন্ন লাভজনক স্থানে বদলি ও পদায়নের জন্য সাভার, জাজিরা ও বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সাবেক প্রধান প্রকৌশলীর আমলেও একটি বড় নিয়োগ ঘিরে প্রায় দেড় কোটি টাকার গোপন সমঝোতার অভিযোগ রয়েছে, যার একটি বড় অংশ শফিকুর রহমান ও তার সহযোগীদের পকেটে গিয়েছে বলে জানা যায়।

বিধিমালা তোয়াক্কা না করে ১২ জন প্রকৌশলীকে পদোন্নতি দেওয়ার কারণে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে শফিকুর রহমান প্রায় ৩০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন, যার একাংশ বিদেশে পাচার হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পূর্বে ২০২৩ ও ২০২৫ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিভিন্ন অনুসন্ধান ও অভিযানে এলজিইডির ৩৬টি কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হলেও চূড়ান্ত শাস্তির বিষয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও প্রকৌশলী শফিকুর রহমানের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু