Dhaka ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাসিরনগরে উপজেলা বিএনপির ইউনিয়ন ভিত্তিক সাংগঠনিক সভার কর্মসূচি ঘোষণা‎‎ গোপালগঞ্জে বিনা ধান-২৬ চাষে ব্যাপক ফলনের সাফল্য পোরশায় স্থানীয়দের সহায়তায় ৩ খুচরা মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৩২ পিস ট্যাপেন্টাডল জব্দ এম এন লারমার স্মৃতিতে লোগাংয়ে ফুটবলের উৎসব রাণীনগরে প্রতিকূল আবহাওয়ায় ধান ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি গোপালগঞ্জ কলেজের চুরির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতি আটক চট্টগ্রাম কাস্টমসের ওমর কাউসার ও সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ, নীরব কর্তৃপক্ষ জরিমানা ছাড়াই গাড়ির কাগজ ও লাইসেন্স হালনাগাদের মেয়াদ বাড়ল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভোগান্তি এড়াতে অনতিবিলম্বে সুযোগ গ্রহণের পরামর্শ বিআরটিএ ও সচেতন মহলের! যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ফুলব্রাইটের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ ইউজিসির শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ: শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতার আগ্রহ

অদৃশ্য সুতোর টান: চলন্ত গাড়ি আর রাস্তার ধারের কিছু নীরব অপেক্ষার গল্প

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ১১:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার

রোদ, বৃষ্টি কিংবা নিঝুম রাত—পথের ধারের দৃশ্যটা প্রায় একই থাকে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন কিছু সাধারণ মানুষ। রিকশার হ্যান্ডেল ধরে রাখা চালক, ফুটপাতের হকার, কিংবা কাজের ক্লান্তি ভুলে দাঁড়িয়ে থাকা হোটেলের কর্মী। তাঁরা জানেন না গাড়িটি ঠিক কোন মিনিটে পৌঁছাবে, তবু দৈনন্দিন ব্যস্ততার হিসাব পেছনে ফেলে তাঁদের একটাই অপেক্ষা—গাড়ির ভেতরের মানুষটিকে একনজর দেখা। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রতিদিনের এই ছবি যেন এখন রূপ নিয়েছে এক নীরব ভালোবাসার গল্পে। অফিসে যাওয়া কিংবা ফেরার পথে রাজধানী ও বিভিন্ন সড়কের পাশে এভাবেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা যায় অসংখ্য মানুষকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চেনা মুখগুলোর সংখ্যাও কেবল বাড়ছে।

এই অপেক্ষা যে কেবল একপাক্ষিক, তা নয়। নিয়মিত একই জায়গায় মানুষকে দাঁড়াতে দেখে প্রধানমন্ত্রীও এখন তাঁদের চিনে নিয়েছেন। যমুনা ব্যাংকের এটিএম বুথটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে, কাজ হারিয়েছেন পাবনার সেই বৃদ্ধ নিরাপত্তাকর্মীও। তবু ইউনিফর্মটি গায়ে চাপিয়ে, হাতে ধানের শীষ নিয়ে আজও তিনি হাজির হন পুরোনো জায়গায়। প্রিয় মানুষকে একঝলক দেখে একরাশ প্রশান্তি নিয়ে তবেই শুরু হয় তাঁর দিন।

গাড়িবহর এসব পরিচিত মোড়ে পৌঁছালে কমিয়ে দেওয়া হয় গতি। রাতের আঁধারে কামাল আতাতুর্ক রোড কিংবা গুলশান-২ এর গলির মুখে যখন অপেক্ষমাণ মানুষদের ভিড় জমে, প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে গাড়ির ভিতরের আলো জ্বালিয়ে দেন—যেন মানুষগুলো তাঁকে স্পষ্ট দেখতে পায়। চলন্ত গাড়ির কাঁচের ওপার থেকে হাত নাড়েন তিনি, জবাব আসে রাস্তার ধার থেকেও।

কোনো আনুষ্ঠানিক মঞ্চ নেই, নেই মাইকের গর্জন বা করতালির আওয়াজ। মাঝখানে কেবল কয়েক হাতের দূরত্ব আর কয়েক সেকেন্ডের একঝলক দেখা। কথাহীন এই কয়েক মুহূর্তেই যেন বিনিময় হয়ে যায় অনেক না-বলা কথা, যা অদৃশ্য এক সুতোয় বেঁধে ফেলেছে চালকের আসনে থাকা দেশের অভিভাবক আর পথের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষদের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

নাসিরনগরে উপজেলা বিএনপির ইউনিয়ন ভিত্তিক সাংগঠনিক সভার কর্মসূচি ঘোষণা‎‎