
যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন পূর্ব বারান্দীপাড়া এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী আল-আমিন হোসেন (২৯) গত ২০/০৮/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ বিকাল আনুমানিক ০৩.৩০ ঘটিকার সময় কোতয়ালী থানাধীন চৌরাস্তা মোড়স্থ নিজ দোকান থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে পূর্ব বারান্দীপাড়া লিচুতলা মাদ্রাসার পিছনে জনৈক বাবুর মেহগনি বাগানে ফেলে রেখে যায়। সংবাদ পেয়ে নিহতের মা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৮৬, তারিখ-২১/০৮/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ; ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করেন। পিবিআই যশোর জেলা স্ব-উদোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে এসআই (নিঃ) মোঃ মাসুদ মামলাটি তদন্ত করছেন।
পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা গত ২৬/০৮/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামি গোলাম রসুল (৩০)-কে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেন।
পিবিআই এর কাছে তার দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রধান আসামি মোঃ সফিয়ার রহমান @ টুটুল (২৮)-কে গত ০২/০৯/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ১০.৩৫ ঘটিকার সময় কোতয়ালী থানাধীন চুড়ামনকাটি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পিবিআই। গ্রেফতারকৃত আসামি টুটুলের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে কোতয়ালী থানার নাজিরশংকরপুর গ্রামস্থ কোল্ড স্টোরেজের পিছনে জনৈক ফজের আলীর বাড়ির পূর্ব পাশের জানালার সানশেডের উপর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। আসামী টুটুল ফৌঃ কাঃ বিঃ এর ১৬৪ ধারা মতে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
পিবিআই এর তদন্তে জানা যায়, ভিকটিম আল-আমিনের সঙ্গে গোলাম রসুল ও তার সহযোগীদের দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ঘটনার দিন আসামিরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে আল-আমিনকে নির্জন স্থানে ডেকে নেয়। সেখানে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং ইট দ্বারা আঘাত করে গুরুতর জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটলে আসামিরা পালিয়ে যায়।
মামলার ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























