
নড়াইলে ১০ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মেরাজ আলী (২৫) নামের এক শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। সোমবার নড়াইল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মেরাজ আলী চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার রুদ্রপুর কালিয়াবকরি গ্রামের আমান উল্লাহ হকের ছেলে।
মামলার বিবরণী অনুযায়ী, নড়াইল পৌরসভার রঘুনাথপুর এলাকার জামিয়া রহমানিয়া তাইছিরুল উলুম মাদ্রাসায় গত বছরের ১০ জুলাই রাতে ভুক্তভোগী শিশুটিকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন শিক্ষক মেরাজ আলী। এ বিষয়ে কাউকে কিছু না জানাতে শিশুটিকে ভয়ভীতিও দেখানো হয়। পরবর্তীতে শিশুটি তার মাকে জানায় যে, গত দুই মাসে ওই শিক্ষক তাকে একাধিকবার নির্যাতন করেছেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে ১২ জুলাই স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটক করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা করেন।
নড়াইল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিবুর রহমান আজিজ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের আদেশ অনুযায়ী অনাদায়ে জরিমানা অনাদায়ের পাশাপাশি জরিমানা থেকে আদায়কৃত ৩ লাখ টাকা সংক্ষুব্ধ শিশুর পরিবারকে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 





















