
দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের বড় ধরণের শূন্যতা রয়েছে। অনুমোদিত মোট ৪১,৮০৬টি পদের বিপরীতে বর্তমানে ৩০,৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন, যার ফলে ১১,৪৯৫টি পদ খালি পড়ে রয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরে তথ্যটি জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শূন্য পদগুলোতে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের মাধ্যমে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য মানদণ্ডের হিসাব উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের একটি সরকারি গবেষণা অনুযায়ী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ন্যূনতম মানদণ্ড (প্রতি ১,০০০ জনে ০.৫০ জন চিকিৎসক) অনুযায়ী বর্তমানে দেশে প্রায় ৮৮,৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন।
তিনি স্পষ্ট করেন যে, দেশের মোট চিকিৎসকের সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্য খাতে কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয়। এই ঘাটতি পূরণে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে:
-
বিসিএস নিয়োগ: ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
-
চলমান প্রক্রিয়া: ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে নতুন সহকারী সার্জন নিয়োগের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন।
সরকার পর্যায়ক্রমে শূন্য পদগুলো পূরণ এবং প্রয়োজনে নতুন পদ সৃষ্টির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
অনলাইন ডেস্ক 

























