
দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট কাটিয়ে অবশেষে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে শুরু করেছে একীভূত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। গতকাল সোমবার থেকে ব্যাংকের আমানতকারীদের জমানো টাকা দেওয়া শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই ৬ হাজার গ্রাহকের মাঝে ২৫০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি অনলাইনে অর্থ স্থানান্তর সুবিধাও চালু করেছে ব্যাংকটি।
এক নজরে বর্তমান পরিস্থিতি:
-
আমানত ফেরত: আমানত ফেরত পেতে ৭৪ হাজার গ্রাহক ৩,৯২৫ কোটি টাকা তোলার আবেদন করেছিলেন। চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ইতিমধ্যেই ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
-
গ্রাহকদের সাড়া: আবেদনকারীদের অনেকেই টাকা তুলতে এলেও, ব্যাংকের পক্ষ থেকে যোগাযোগের পর অনেকে টাকা না তুলে আবার তা ব্যাংকেই গচ্ছিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
-
অনলাইন সেবা: ক্যাশ টাকা তোলার পাশাপাশি ডিজিটাল ও অনলাইন ট্রানজাকশন চালু হওয়ায় কার্যক্রমে গতি ফিরেছে।
পটভূমি ও ব্যাংকের তথ্য: আগের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়ম ও ঋণ জালিয়াতির কারণে শরিয়াহভিত্তিক ৫টি ব্যাংক গভীর সংকটে পড়ে। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক—এই পাঁচটিকে একীভূত করে “সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক” গঠন করা হয়। বর্তমান বিএনপি সরকারও এই একীভূতকরণ কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে।
পূর্বে এসব ব্যাংকের শেয়ার মূল্য শূন্য ঘোষণা করে পুরো মালিকানা সরকারের অধীনে নেওয়া হয়। বর্তমানে সারাদেশে এই ৫টি ব্যাংকের মোট ৭৬১টি শাখা রয়েছে, যা এখনো পৃথকভাবে তাদের সেবা পরিচালনা করছে। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আবেদুর রহমান সিকদার জানিয়েছেন, আবেদনকারী সব গ্রাহকের টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সবাই তাঁদের টাকা পাবেন।
অনলাইন ডেস্ক 
























