Dhaka ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উচ্চশিক্ষার ওপর জোর দিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারির সুপারিশ সংসদীয় কমিটির দুর্গাপুজোর টিকিট বিক্রিতে আর্থিক অনিয়ম: কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা উরুর চোটে মাঠের বাইরে জোয়াও পেদ্রো ভূরুঙ্গামারীতে ৪ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইলসহ আন্তঃজেলা চোরাকারবারি চক্রের প্রধান গ্রেফতার ভোর রাতে গোবিপ্রবির বনলতা ও অপরাজিতা হলে চুরি: নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ শিক্ষার্থীদের সমুদ্রের প্রলয়ংকরী ঝড়ের নামকরণ যেভাবে হয়, আসছে যে ১০ নাম ছোটপর্দায় নতুন যাত্রায় অভিনেত্রী নূপুর আহসান, আসছে ৭টি নতুন প্রজেক্ট ৬৬ বছরের ইতিহাসে সেরা অঘটন দেখল বিশ্ব

গ্রাহকের আমানত আত্মসাৎ: মিরপুর থেকে অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার গ্রেফতার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪ বার

অগ্রণী ব্যাংক মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর শাখার গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তা (ক্যাশ) মো. শরিফুজ্জামান সোহাগকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। এক সপ্তাহ আত্মগোপনে থাকার পর মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের মধ্য পাইকপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ দল জানায়, গ্রেফতারকালে সোহাগের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকা, ৩টি মোবাইল ফোন, ১টি চেকবই, ২টি এটিএম কার্ড এবং ব্যাংকের লকারের ১টি চাবি জব্দ করা হয়েছে।

যেভাবে হতো জালিয়াতি: ২০১৯ সাল থেকে শ্রীনগর শাখায় কর্মরত ছিলেন সোহাগ। অভিযোগ অনুযায়ী, ১১ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত সুদের লোভ দেখিয়ে তিনি কৌশলে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করতেন। পরবর্তীতে ব্যাংকের নিজস্ব ভাউচার ও ব্যক্তিগত সিল ব্যবহার করে তিনি সেই অর্থ আত্মসাৎ করতেন।

আত্মগোপন ও গ্রেফতার अभियान: গ্রাহকদের পাওনা টাকা নিয়ে অভিযোগের মুখে গত ২২ সেপ্টেম্বর হঠাৎ গা-ঢাকা দেন সোহাগ। ব্যাংকের নিরাপত্তা ও গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষায় তাৎক্ষণিকভাবে অনুসন্ধানে নামে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুর মডেল থানাধীন মধ্য পাইকপাড়ায় সোহাগের বোনের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাসাবাদে তিনি নিজের পরিচয় স্বীকার করলেও আত্মসাৎ করা অর্থ ও তা কোথায় আছে—সে বিষয়ে কোনো পরিষ্কার উত্তর দিতে পারেননি।

অডিট ও আইনি পদক্ষেপ: গ্রাহকদের ঠিক কত টাকা খোয়া গেছে তা নিশ্চিত করতে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে ৩ সদস্যের একটি অডিট দল গঠন করা হয়েছে। অডিট রিপোর্ট চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত মোট টাকার সঠিক পরিমাণ বলা সম্ভব নয় বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

যেহেতু প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তফসিলভুক্ত অপরাধ, তাই দুদকও মামলাটি তদন্ত করছে। বর্তমানে সোহাগকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আত্মসাতের মূল অংক ও এতে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত ও অডিট শেষে জানা যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উচ্চশিক্ষার ওপর জোর দিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর