Dhaka ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: দুদকের অভিযানের মুখে চুয়াডাঙ্গায় বদলি বান্দরবানের সিইও নজরুল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০২:৪৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন প্রকল্পের বহুল আলোচিত ৪৫ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির খবরের মাঝেই তড়িঘড়ি করে বদলি হলেন প্রকল্প পরিচালক ও জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলাম। তাঁকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আল-বশিরুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়। তবে পার্বত্য জেলা পরিষদের একটি দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, দুদকের তদন্ত ও আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে মন্ত্রণালয়ে বড় অঙ্কের লবিং-তদবিরের মাধ্যমেই তিনি এই বদলি আদেশ হাসিল করেছেন।

বান্দরবানে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার মানোন্নয়নে গৃহীত প্রায় ৪৫ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পে শুরু থেকেই ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, মাঠপর্যায়ে বেশিরভাগ অবকাঠামো ও উন্নয়নকাজের দৃশ্যমান অস্তিত্ব না থাকলেও কাগজে-কলমে শতভাগ কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে পুরোটাই উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে। প্রকৌশলী না হওয়া সত্ত্বেও মো. নজরুল ইসলামকে রহস্যজনকভাবে এই কারিগরি প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, যা নিয়ে স্থানীয়ভাবে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। প্রকল্পে উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে।

গণমাধ্যমে প্রকল্পের হরিলুট ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর গত ২০ সেপ্টেম্বর বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানকালে প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন নথিপত্র জব্দ করা হয়। দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানেই কোটি কোটি টাকার অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে এবং বর্তমানে এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।

দুদকের সাঁড়াশি অভিযান ও নথিপত্র জব্দের পরপরই বিতর্কিত এই কর্মকর্তার হঠাৎ বদলি নিয়ে পাহাড়ি এই জেলায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের একাংশের মতে, জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিচার এড়াতেই তড়িঘড়ি করে জেলা পরিষদ ছেড়ে সটে পড়ার পথ বেছে নিয়েছেন নজরুল ইসলাম। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—বদলি হলেও ৪৫ কোটি টাকার এই হরিলুটের জবাবদিহিতা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত কতদূর এগোবে?

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু