
মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের (পিএলসি) সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম-এমআই) মো. রাশেদুল হকের বিরুদ্ধে নিয়োগ জালিয়াতি, বদলি ও পদোন্নতি সিন্ডিকেট পরিচালনা, অর্থ আত্মসাৎ এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখনো স্বতন্ত্র নথিপত্র, কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন বা অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য না পাওয়ায় এগুলো আইনগতভাবে প্রমাণিত নয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, ২০১২ সালের ১ নভেম্বর কোম্পানিতে যোগদানের সময় রাশেদুল হক জাল কাগজপত্র জমা দেন। নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও তিনি অসদুপায় অবলম্বন করে সাধারণ বা কারিগরি শাখার পদে সুবিধাজনক শর্তে নিয়োগ পান। তৎকালীন সার্ভিস নীতিমালার শর্ত পূরণ হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
একই কর্মস্থলে দীর্ঘ অবস্থান ও সিন্ডিকেট তৈরির অভিযোগ
প্রশাসনিক বদলি নীতি কার্যকর থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে একই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বহাল রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রভাব বিস্তার ও একটি অঘোষিত সিন্ডিকেট তৈরির সুযোগ হয়েছে বলে দাবি উঠেছে। এর মাধ্যমে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে আর্থিক লেনদেন এবং বিভিন্ন ডিপো থেকে অর্থ আদায়ের গুঞ্জন রয়েছে।
মামলা পরিচালনা, আতিথেয়তা ও রক্ষণাবেক্ষণের ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ করা গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগও তোলা হয়েছে। এছাড়া ভোলায় বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ, দামি গাড়ি কেনা এবং পরিবারে সদস্যদের নামে এফডিআর ও সঞ্চয়পত্রে অর্থ বিনিয়োগের তথ্যও এনেছেন অভিযোগকারীরা, যা বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা অনুসন্ধানের দাবি করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ফিরিয়ে আনতে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আয়কর বিবরণী, ব্যাংক হিসাব, গাড়ির লগবুক ও সার্ভিস রেকর্ড যাচাইয়ের পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামের অবস্থান জানার পরই বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া সম্ভব।
অনলাইন ডেস্ক 





















