
পাওয়ার অপব্যবহার, নথিপত্র জালিয়াতি এবং সরকারি জমি ও বকেয়া ভাড়া বাবদ প্রায় ২৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (বর্তমানে বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী) মোহাম্মদ শাহ-আলম ফারুক চৌধুরী ও আগ্রাবাদ কনভেনশন হলের মালিক মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রবিবার (৪ অক্টোবর) দুদক সূত্রে এ কথা জানা গেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
অনিয়ম ও জালিয়াতির চিত্র
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতি ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার ২৪.৯৬ শতক সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করে রাখেন। দীর্ঘ ধরে সরকারি জমির বকেয়া ভাড়া পরিশোধ না করে ভুয়া রিকর্ডপত্র তৈরির মাধ্যমে মোট ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আত্মসাৎ করেন তারা।
পলাতক প্রকৌশলী
মামলার প্রধান আসামিদের একজন শাহ-আলম ফারুক চৌধুরী পূর্বে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা ডিভিশন-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পাঁচ বছর দায়িত্বে ছিলেন। সে সময় তিনি গণভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মতো অতিগুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের সূত্রমতে, তিনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিনানুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত এবং বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
অনলাইন ডেস্ক 





















