
বিজয়নগরের সিঙ্গারবিল এলাকায় সেলিম ও শামীমকে ঘিরে
ছবিটি বিগত আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে তোলা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জেলার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নলমুনিয়া এলাকায় সেলিম ও তাঁর ভাই শামীমকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার, মাদক পাচার এবং হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগের বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা।
অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক পরিচয় ও দলীয় সংশ্লিষ্টতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে সেলিম ও শামীমের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক পাচার এবং অবৈধ পথে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি, আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড, মামলা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিশ্চিত বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগগুলো এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। রাজনৈতিক পরিচয় বা অতীতের দলীয় সংশ্লিষ্টতা নিজে কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়।
যেসব বিষয়ে অনুসন্ধান প্রয়োজন
১. রাজনৈতিক পরিচয়: সেলিম ও শামীমের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য নথি রয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।
২. মাদক পাচার: তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত কোনো মামলা, গ্রেপ্তার, মাদক উদ্ধারের নথি কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
৩. হুন্ডি ও অর্থ লেনদেন: অবৈধ পথে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রাসঙ্গিক আর্থিক নথি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪. স্থানীয়দের বক্তব্য: অভিযোগকারী, প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিরপেক্ষ স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য সংগ্রহের পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়াও জরুরি।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
মাদক পাচার ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনানুগ তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এ ক্ষেত্রে বিজয়নগর থানা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য ও নথি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বক্তব্যের অপেক্ষায়
সেলিম ও শামীমের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগের জবাবসহ তা প্রকাশ করা হবে। নতুন কোনো তথ্য বা নথি পাওয়া গেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে।
দৈনিক সময়ের কণ্ঠ-এর অনুসন্ধান অব্যাহত।
সম্পাদকের নোট: অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে আখ্যায়িত করা হবে না। তথ্য-প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং কর্তৃপক্ষের নথির ভিত্তিতেই পরবর্তী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
অনুসন্ধানী রিপোর্ট 





















