
সংযুক্ত আরব আমিরাতে জাতীয় দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্স দেখে ক্ষোভ ও তীব্র হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের সাবেক ওপেনার ইমরুল কায়েস। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি দেশের ক্রিকেটের বর্তমান চিত্র এবং নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।
ঘুরেফিরে সেই ২০০৬-২০০৮ এর ছায়া
দলের খেলা দেখে মর্মাহত হয়ে ইমরুল উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট উন্নতির বদলে পেছনের দিকে হাঁটছে। তার মতে, এত বছর পরও যদি দলকে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তবে উন্নতির পথ নিয়ে প্রশ্ন জাগে স্বাভাবিকভাবেই।
নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে আক্ষেপ
নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে বলতে গিয়ে এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, দেশের জন্য তিনি সবসময় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। তবে বর্তমান প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মতো যদি তারাও সমসাময়িক সুযোগ-সুবিধা, স্বাধীনতা ও পরিবেশ পেতেন, তবে তার ক্যারিয়ার হয়তো আরও ভিন্ন হতে পারত।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব ও ইগোর প্রভাব
দলের ব্যর্থতার মূল কারণ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব এবং ধারাবাহিকতার অনুপস্থিতিকে দায়ী করেছেন ইমরুল। তার মতে—
দল গঠনে তাৎক্ষণিক ফলাফল ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের প্রভাব পড়ে।
বিশ্বকাপের মাত্র এক মাস আগে নতুন খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত করে ভালো পারফরম্যান্স আশা করা অবাস্তব।
২০১৫ সালের বিশ্বকাপ দলের মতো একটি নির্দিষ্ট কাঠামো ও পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরি করা জরুরি।
অন্যের ট্রোলে কষ্ট পান ইমরুল
ছোট দলগুলোর বিপক্ষে দলের হার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্যান্য দেশের কটূক্তি বা অসম্মানজনক মন্তব্য তাকে ভীষণ কষ্ট দেয় বলে জানান তিনি।
সবার উপরে বাংলাদেশ ক্রিকেট
ব্যক্তিগত স্বার্থ বা ইগোর ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টকে সবার আগে দেশের স্বার্থ দেখার আহ্বান জানিয়েছেন ইমরুল কায়েস। শুধু একটি ম্যাচ বা সিরিজ জয় নয়, বিশ্বমঞ্চে লড়াই করার মতো একটি শক্তিশালী ও ধারাবাহিক দল গঠনই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।
অনলাইন ডেস্ক 

























