Dhaka ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

সিডিএতে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য: ১০ তলার অনুমোদন নিয়ে ১৩ তলার ফন্দি!

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) এক শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। হালিশহর ছোটপুল এলাকায় একটি নির্মাণ প্রকল্পের ফাইল অনুমোদনকে কেন্দ্র করে এই অনিয়মের জাল বিস্তার করে ‘পারফে অ্যাসোসিয়েট লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, ফাইল নং ১৩৪/২৪ অনুযায়ী নুরুল্লাহ গং-এর মালিকানাধীন প্লটটিতে ১০ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছিল সিডিএ। কিন্তু প্রকল্পমালিকের চাহিদা ছিল ১৩ তলা ভবনের অনুমোদন নেওয়ার। এই সুযোগটিকেই নিজেদের আয়ের হাতিয়ার বানায় পারফে অ্যাসোসিয়েট লিমিটেড ও সিডিএর কিছু অসাধু কর্মকর্তা।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী ইউসুফ শাহ সাজু (৪৫) নিজেকে সিডিএর প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে প্রথম দফায় প্রায় ৭১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এই ঘুষের টাকা পরবর্তীতে হাতবদল হয়ে পৌঁছে যায় তৎকালীন সিডিএর প্রধান প্রকৌশলীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) মো. হোসেন, প্রকৌশলী নোবেল মিত্র এবং কর্মচারী নইম উদ্দিনসহ প্রভাবশালী মহলে। এই লেনদেন ও কারসাজির অডিও কল রেকর্ডও সংরক্ষিত রয়েছে।

ইউসুফ শাহ সাজু (স্বত্বাধিকারী, পারফে অ্যাসোসিয়েট): টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, “এই ঘটনায় প্রকৌশলী নোবেল মিত্র, কর্মচারী নইম উদ্দিন ও পিএ হোসেন জড়িত। নইম ও হোসেন বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে ১৩ তলা অনুমোদনের জন্য তদবির করেছিলেন।”

নইম উদ্দিন (সিডিএ কর্মচারী): নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি এড়িয়ে গেলেও জানান, “কে কত টাকা নিয়েছে তা আমি জানি না, তবে পুরো বিষয়টি পরিচালনা করেছেন ইউসুফ শাহ সাজু ও পিএ হোসেন।”

পিএ মো. হোসেন: নিজের বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “টাকা লেনদেনের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে ১৩ তলার অনুমোদন পেতে আমি শুধু ইমারত নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে সুপারিশ করেছিলাম।”

সিডিএর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে এমন ঘুষ-বাণিজ্যের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন সচেতন মহল।

নোট: এই প্রতিবেদনটিতে আপনার দেওয়া তথ্যের মূল কাঠামো ঠিক রেখে সংবাদমাধ্যম বা পত্রিকার উপযোগী একটি পেশাদার ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। প্রয়োজনমতো এতে আরও পরিবর্তন বা পরিমার্জন করা সম্ভব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু