
নির্মল বায়ু ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট গবেষণা এবং সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ব্ল্যাক কার্বন ও স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষকগুলোর নিঃসরণ কমাতে গবেষণালব্ধ তথ্যকে সরাসরি নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
রবিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘ব্ল্যাক কার্বন ও অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষক’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করে, যাতে সহযোগিতা করে ক্লিন এয়ার ফান্ড।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আবদুল আউয়াল এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস। এ ছাড়া স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত অধ্যাপক ওরিয়ান গুস্তাফসনও সংলাপে অংশ নেন।
প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গবেষণা, নীতি এবং এর বাস্তব প্রয়োগের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আনতে হবে। একটি জলবায়ু সহনশীল ও স্বাস্থ্যকর বাংলাদেশ গড়তে সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিকল্প নেই।
সংলাপে বক্তারা বায়ুদূষণ ও জনস্বাস্থ্যের মধ্যকার গভীর সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করেন। বিশেষ করে ব্ল্যাক কার্বনের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে কীভাবে বায়ুর মান উন্নত করা যায় এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
দিনব্যাপী এই উচ্চপর্যায়ের সংলাপে দেশের নীতিনির্ধারক, গবেষক, বিজ্ঞানী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনলাইন ডেস্ক 






















