
রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ছিনতাইকারীর হামলায় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গুরুতর আহত যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত যুবকের নাম হাফিজুর রহমান (২৫)। তিনি গাজীপুরের জয়দেবপুরের ‘শৈলদা’ নামের একটি রিসোর্টে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ছুটি নিয়ে গাজীপুর থেকে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চরচিংগুরি গ্রামে নিজের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন হাফিজুর। সাধারণত জয়দেবপুর থেকে ট্রেনে চেপে কমলাপুর নামার পর সায়েদাবাদ থেকে বাসে বাড়ি যেতেন তিনি।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পথচারী ফয়েজ জানান, বুধবার সন্ধ্যার দিকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পেছনে রেললাইনের পাশে জটলা দেখে তিনি এগিয়ে যান এবং সেখানে ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। স্থানীয়দের কাছে তিনি জানতে পারেন, কমলাপুরগামী চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইকারীরা হাফিজুরের ওপর হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকে ট্রেন থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিক অবস্থায় তার পরিচয় পাওয়া না গেলেও দুপুরে নিহতের পরিবার হাসপাতালে এসে মরদেহ শনাক্ত করে।
নিহতের বড় ভাই মো. হোসাইন শেখ জানান, মৃত আব্দুর রহমান শেখের ছেলে হাফিজুরের স্ত্রী মুক্তা আক্তার ও এক সন্তান রয়েছে, যারা গ্রামেই বসবাস করেন। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে তারা ঢাকায় এসে ছোট ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।
অনলাইন ডেস্ক 























