
সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে কেবল অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা না ভেবে, একে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা ও একটি পরিকল্পিত সামাজিক বিনিয়োগ হিসেবে অভিহিত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
মঙ্গলবার ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস মাঠে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় আয়োজিত ‘ময়মনসিংহ বিভাগীয় সর্বজনীন পেনশন মেলা ২০২৬’-এর মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বেশিরভাগ চাকরিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের কর্মজীবন শেষে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার স্থায়ী কোনো রাষ্ট্রীয় সুব্যবস্থা ছিল না। সেই প্রেক্ষাপটে সর্বজনীন পেনশন অত্যন্ত সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ। কর্মক্ষম বয়সে নিয়মিত সামান্য অবদানের মাধ্যমে নাগরিকরা তাঁদের বয়সের শেষ সময়ে নির্ভরযোগ্য আর্থিক সহায়তা পাবেন।
পেনশন স্কিমগুলোর বিষয়ে আলোকপাত করে তিনি জানান, প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা—এই চারটি স্কিমের মধ্য থেকে প্রত্যেকে নিজ নিজ সুবিধা ও সামর্থ্য অনুযায়ী স্কিম বেছে নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে নিজের পাশাপাশি সন্তানদের ভবিষ্যৎও সুরক্ষিত করা সম্ভব। এ সময় তিনি সবাইকে নিজে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সহকর্মীদেরও এই সরকারি স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আজাদ জাহানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ
অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব শরীফ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম
বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার নির্বাহী পরিচালক আরিফুজ্জামান
সভায় মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য পরিবেশন করেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান।
উল্লেখ্য, মতবিনিময় সভার পূর্বে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সার্কিট হাউস মাঠের মেলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
অনলাইন ডেস্ক 
























