
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল গ্রামীণ জনপদ। কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় সড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। ভোরের এই কনকনে ঠান্ডা ও কুয়াশা উপেক্ষা করেই জীবিকার টানে মাঠে নেমেছেন কৃষক ও শ্রমজীবীরা।
স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্যমতে, গত এক সপ্তাহ ধরে রাতে কাঁথা-কম্বল গায়ে জড়াতে হচ্ছে। বিশেষ করে আজকের ভোরে ঠান্ডা ও কুয়াশার প্রকোপ বেশ ভালোই অনুভূত হয়েছে।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ সকাল ৬টায় এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে **২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস**। রাত ও সকালের তাপমাত্রার ব্যবধান এবং বাতাসে জলীয় বাষ্পের উচ্চ আর্দ্রতার কারণেই এই ঘন কুয়াশা পড়ছে। সামনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে দিনের বেলায় রোদ থাকায় শীত পুরোপুরি জেঁকে বসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।
অনলাইন ডেস্ক 

























