Dhaka ১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

সব পাপের মূল মাদক: ইসলামে এর ভয়াবহ পরিণতি ও উত্তরণের উপায়

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০২:১৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৬ বার

সমাজে অপরাধ, অশ্লীলতা এবং নৈতিক অবক্ষয়ের মূল কারণ হিসেবে মাদককে সবচেয়ে বড় অনুঘটক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তরুণ সমাজ থেকে শুরু করে শিশু-কিশোরদের মধ্যেও এই ভয়ংকর ব্যাধি এখন বিষবাষ্পের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। ইসলামে সব ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।

ইসলামে মাদকের বিধান ও কোরআন-হাদিসের দৃষ্টিভঙ্গি
পবিত্র কোরআনে মাদককে শয়তানের অপবিত্র কাজ হিসেবে উল্লেখ করে তা বর্জন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (সুরা মায়িদা: ৯০)। এছাড়া মহানবী (সা.) স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই মদ, আর প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম” (মুসলিম: ২০০৩)। যুগের পরিবর্তনে ইয়াবা, ফেনসিডিল বা হেরোইনের মতো নানা আধুনিক নাম ও রূপে মাদক আসলেও, নেশা ও মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটায় এমন যেকোনো দ্রব্যই এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।

মাদক কেন সব পাপের উৎস?
হজরত উসমান (রা.)-এর একটি ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনায় মাদককে সব অপকর্মের চাবিকাঠি বলা হয়েছে। অতীতের এক ইবাদতগুজার ব্যক্তির মাদকাসক্তির কারণে মাতাল হয়ে ব্যভিচার ও শিশু হত্যার মতো জঘন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন—মদ ও ইমান কখনো একসঙ্গে থাকতে পারে না। বর্তমান সমাজে চুরি, ছিনতাই, খুন ও অনৈতিকতার বড় একটি অংশই মাদকাসক্তির ফল। মাদক শুধু অপরাধই বাড়ায় না, বরং এর প্রভাবে টানা ৪০ দিন ইবাদত কবুল হয় না বলেও হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে (ইবনে মাজাহ: ৩৩৭৭)।

মাদকাসক্তির কারণ ও মুক্তির পথ
মূল কারণসমূহ: অসৎ সঙ্গ, অতিরিক্ত কৌতূহল, হতাশা, পারিবারিক অশান্তি এবং মানসিক চাপ মূলত মানুষকে মাদকের দিকে ঠেলে দেয়।

প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ: কেবল আইনি শাস্তি দিয়ে এই সামাজিক ব্যাধি দূর করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সাহাবায়ে কেরামের আমলের মতো ঐতিহাসিক দৃঢ়তা, পারিবারিক সতর্কতা, সন্তানের প্রতি সঠিক নজরদারি এবং আত্মিক পরিশুদ্ধি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু