Dhaka ০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
৫৫ বছরেও গড়ে ওঠেনি পণ্যের বছরব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থা: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রবীণদের সংখ্যা ছাড়াল শিশু! চীনের সামনে নতুন demographic বা জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জ বিসিআইসিতে দুর্নীতির পাহাড়: দুদকের জালে সাবেক চেয়ারম্যান ও এমডিসহ প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ইসলামী ব্যাংক থেকে ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদ ও তাঁর স্ত্রীসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা অনুমোদন ছাড়াই প্ল্যান্ট নির্মাণ: সুপার পেট্রোকেমিক্যালের বৈধতা পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির অডিট আপত্তি: চাকরিবিধি ছাড়াই নিয়োগ ও বয়স নিয়ে প্রশ্ন অনুমোদিত শয্যার তিন গুণ রোগীর চাপ, সংকটের আড়ালে চিকিৎসকদের নীরব সংগ্রাম কুয়াকাটায় সাঈদীপুত্রর ‘ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’র নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন মাদারীপুর এলজিইডিতে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ: সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল আখতারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড় পট পরিবর্তনেও বদলায়নি দৃশ্যপট: সিন্ডিকেটের কবজায় বিএডিসির বীজ ও কোটি টাকার কাজ

নবীজির ওপর দরুদ না পড়ার ভয়াবহ পরিণতি ও ক্ষতিসমূহ

ইসলাম ধর্মে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও মর্যাদায়ক একটি আমল। তবে কোনো ব্যক্তির সামনে প্রিয় নবীর নাম উচ্চারিত হওয়ার পরও যদি তিনি দরুদ পাঠ করা থেকে বিরত থাকেন, তবে তা অত্যন্ত গর্হিত ও ক্ষতিকর বলে হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন হাদিসের আলোকে নবীজির প্রতি দরুদ না পড়ার প্রধান পরিণতিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

ধ্বংস ও অপমান অনিবার্য: এক হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) মিম্বরে ওঠার সময় তিনবার ‘আমিন’ বলেছিলেন। এর মধ্যে একটি ছিল সেই ব্যক্তির জন্য ধ্বংস ও অপমান, যার সামনে মহানবী (সা.)-এর নাম উচ্চারিত হয়েছে কিন্তু সে দরুদ পাঠ করেনি (ইবনে হিব্বান)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, এমন ব্যক্তির নাসিকা ধূলায় ধূসরিত বা সে অপমানিত হোক (তিরমিজি)।

সবচেয়ে বড় কৃপণ: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, প্রকৃত কৃপণ সেই ব্যক্তি— যার সামনে নবীজির নাম নেওয়ার পরও সে দরুদ পাঠ করে না (তিরমিজি)।

জান্নাতের পথ থেকে দূরে সরে যাওয়া: দরুদ পাঠ না করা বা ভুলে যাওয়াকে জান্নাতের রাস্তা থেকে দূরে সরে যাওয়ার শামিল বলা হয়েছে। এমনকি কোনো কোনো বর্ণনায় এসেছে, নাম শোনার পরও দরুদ না পড়ে মারা গেলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে এবং আল্লাহর রহমত থেকে দূরে থাকবে (ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান)।

কিয়ামতের ময়দানে আফসোস: কোনো বৈঠকে বসে যদি আল্লাহকে স্মরণ করা না হয় এবং নবীজির প্রতি দরুদ পাঠ না করা হয়, তবে কিয়ামতের দিন সেই অবহেলার কারণে তাদের আফসোস করতে হবে— যদিও তারা শেষ পর্যন্ত পুরস্কারস্বরূপ জান্নাতে প্রবেশ করে (মুস্তাদরেকে হাকেম)।

হতভাগ্য ও লাঞ্ছিত হওয়া: যে ব্যক্তির সামনে নবীজির নাম উচ্চারিত হওয়ার পরও দরুদ পড়া থেকে সে দূরে থাকে, তাকে হাদিসে ‘হতভাগ্য’ ও ‘লাঞ্ছিত’ বলে অভিহিত করা হয়েছে (মিশকাত)।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

৫৫ বছরেও গড়ে ওঠেনি পণ্যের বছরব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থা: বাণিজ্যমন্ত্রী