Dhaka ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

যশোর জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ঝুঁকি চরমে: মশারির বাইরেই থাকছেন রোগীরা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ বার

যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রোগীদের মশারি ব্যবহারের তীব্র অনীহা এবং মারাত্মক জায়গার সংকটের কারণে হাসপাতালজুড়ে ডেঙ্গু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ওয়ার্ডের এক কোণে ২০ শয্যা নিয়ে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের কার্যক্রম চালানো হলেও সেখানে রোগীর সংখ্যা সব সময়ই বেশি থাকে। সম্প্রতি একপর্যায়ে রোগীর সংখ্যা ৪৫ জনে পৌঁছায়। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি থাকছেন, যার মধ্যে মঙ্গলবার এক দিনেই ২৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন।

তবে সামগ্রিক হাসপাতালের চিত্র আরও ভয়াবহ। আড়াইশ’ শয্যার এই হাসপাতালে ২৭৪টি শয্যা (করোনারী কেয়ার ইউনিটের শয্যাসহ) থাকলেও প্রতিদিন আট শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। মঙ্গলবারও হাসপাতালে মোট ৮২২ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। নির্ধারিত শয্যার পাশাপাশি হাসপাতালের মেঝে, সিঁড়ি এবং এমনকি র্যাম্পেও গাদাগাদি করে অবস্থান করছেন রোগীরা।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আহসান কবীর ডেঙ্গু ওয়ার্ডের এই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, শয্যা সংখ্যার অনুপাতে মশারি সরবরাহ করা হলেও অতিরিক্ত রোগীদের (যারা মেঝেতে থাকেন) জন্য কোনো মশারি বরাদ্দ নেই। এছাড়া, যাদের মশারি দেওয়া হয়, তারাও সচেতনতার অভাবে তা টাঙাতে চান না এবং বারবার বলার পরও তা মানছেন না।

চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে ডেঙ্গু রোগীদের আলাদা রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় রোগীরা মশারির ভেতরে না থাকলে তা থেকে অন্যদের মাঝেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা অত্যন্ত প্রবল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু