
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়ম, বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এই পুরো অনিয়মের মূল কারিগর হিসেবে অভিযোগের তিরে রয়েছেন প্রশাসন শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শফিকুর রহমান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পদোন্নতির তালিকাভুক্ত হতে কর্মকর্তা ভেদে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত ‘নজরানা’ দিতে হতো। পাশাপাশি বিভিন্ন লাভজনক স্থানে বদলি ও পদায়নের জন্য সাভার, জাজিরা ও বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সাবেক প্রধান প্রকৌশলীর আমলেও একটি বড় নিয়োগ ঘিরে প্রায় দেড় কোটি টাকার গোপন সমঝোতার অভিযোগ রয়েছে, যার একটি বড় অংশ শফিকুর রহমান ও তার সহযোগীদের পকেটে গিয়েছে বলে জানা যায়।
বিধিমালা তোয়াক্কা না করে ১২ জন প্রকৌশলীকে পদোন্নতি দেওয়ার কারণে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে শফিকুর রহমান প্রায় ৩০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন, যার একাংশ বিদেশে পাচার হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পূর্বে ২০২৩ ও ২০২৫ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিভিন্ন অনুসন্ধান ও অভিযানে এলজিইডির ৩৬টি কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হলেও চূড়ান্ত শাস্তির বিষয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও প্রকৌশলী শফিকুর রহমানের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















