Dhaka ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩ শ্যালিকাকে বিয়ে ও টিকটক বিতর্ক: গ্রামবাসীর সামনে ক্ষমা চাইলেন শ্যালিকা, কান ধরে তওবা করলেন শ্বশুর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে ইনশাআল্লাহ – মাওলানা বোরহান উদ্দিন।

নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু: হাসপাতালের এমডি কারাগারে, প্রতিষ্ঠান সিলগালা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০১:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ বার

নোয়াখালী জেলা সদরের মাইজদী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় মো. মোসলিম (১২) নামের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল হোসেনকে গ্রেফতারের পর কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে সদর কোর্টের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হামিদুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। নিহত মোসলিম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরবসু গ্রামের মাহফুজুর রহমানের ছেলে।

ঘটনার বিবরণ ও স্বজনদের অভিযোগ শনিবার বিকেলে খেলার সময় এক শিশুর আঘাতে মোসলিমের চোখে রক্ত জমে ফুলে যায়। চিকিৎসার জন্য স্বজনরা তাকে দত্তেরহাটের ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের এমডি আবুল হোসেন শিশুটিকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে চোখের পাতায় তিনটি ইনজেকশন দেন। এর পরপরই শিশুটির মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে শুরু করে এবং সে অচেতন হয়ে পড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্তের বক্তব্য প্যারামেডিকস ও অভিযুক্ত এমডি আবুল হোসেন চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, শিশুটির চোখের ওপর ও নিচের পাতায় কেবল লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের ড্রপের কারণে মৃত্যু হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি মত দেন।

প্রশাসনের পদক্ষেপ ও তদন্ত ঘটনার পর পুলিশ আবুল হোসেনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। রবিবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মোসলিমের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

  • হাসপাতাল সিলগালা: জেলা সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে হাসপাতালটি সিলগালা করে দিয়েছেন।

  • তদন্ত কমিটি: নোয়াখালী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাঈমা নুসরাত জাবিন চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত এজাহার প্রদানে দেরি হওয়ায় আপাতত আবুল হোসেনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দায়ের করলে সেই অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী