Dhaka ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ মার্কেট-শপিংমল

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ১২:৩২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬০ বার

বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। বুধবার (১২ আগস্ট) থেকে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যবহারে চাপ কমাতে আলোকসজ্জা ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিলবোর্ড বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।বুধবার (১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তার মাধ্যমে এই নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হয়।এর আগে বিদ্যুৎ বিভাগের গত ১১ জুনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মার্কেট খোলা রাখার সময় রাত ৯টা পর্যন্ত নির্ধারিত থাকলেও, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সময়সীমা এক ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান বা অনুষ্ঠিতব্য সব ধরনের মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যেই আবশ্যিকভাবে শেষ করতে হবে। এছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড এবং সব ধরনের আলোকসজ্জা বা লাইটিং সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে।তবে জরুরি সেবা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলো এই নতুন সময়সীমার আওতাভুক্ত হবে না। এর মধ্যে রয়েছে খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফার্মেসি এবং অন্যান্য জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট দোকান। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে এবং জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করতেই সরকার এই সময়োপযোগী ও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সমিতি ও কর্তৃপক্ষকে সরকারি এই সিদ্ধান্ত সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু