
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত নারী শিক্ষার্থীদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই সাথে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে ‘মিড-ডে মিল’ বা দুপুরের খাবার কর্মসূচির কার্যকারিতা ও ব্যবস্থাপনা মূল্যায়নে দুটি পৃথক জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট’ সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনায় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
বৈঠকে ট্রাস্টের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ছাড়াও শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে সার্বজনীন উপবৃত্তির অতীত ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মেয়াদে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া উপবৃত্তি কর্মসূচির ইতিবাচক সামাজিক প্রভাব—যেমন স্কুলে উপস্থিতি বৃদ্ধি ও বাল্যবিয়ে রোধে এর কার্যকারিতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
এরই ভিত্তিতে সার্বজনীন উপবৃত্তি কার্যক্রম পুনর্বহালের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ, উপকারভোগীর সংখ্যা এবং বাস্তবায়নের সম্ভাব্য রূপরেখা সংবলিত একটি সমন্বিত প্রস্তাব তৈরির নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ছেলেদেরও উপবৃত্তির আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও খাবারের মানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বৈঠকে জানানো হয়, বিদ্যালয় পর্যায়ে শিশুদের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে দুটি ভিন্ন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খাদ্যের গুণগত মানে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না বলেও সতর্ক করেন সরকারপ্রধান।
উক্ত পর্যালোচনায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক 

























