Dhaka ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

হবিগঞ্জে প্রকট হচ্ছে হাম পরিস্থিতি: বিছানা না পেয়ে মেঝে-সিঁড়িতে রোগীরা, মৃত্যু ২০

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০২:৩২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ২২ বার

হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জ জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। পরিস্থিতি এতটাই জটিল রূপ নিয়েছে যে, জেলা ২৫০ শয্যা সদর আধুনিক হাসপাতালে রোগীদের স্থান দিতে না পেরে মেঝে ও সিঁড়িতে রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। রোগীর অতিরিক্ত ভিড়ে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা গেছে, হাম রোগীদের জন্য বিশেষায়িত ২০ শয্যার একটি পৃথক ওয়ার্ড নির্ধারণ করা হলেও বর্তমানে সেখানে ৭৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। অতিরিক্ত চাপের কারণে বহু শিশুকে গাদাগাদি করে বিছানায়, মেঝেতে এমনকি চলাচলের সিঁড়িতে রেখেও জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট ২ হাজার ৪০২ জন হাম আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২ হাজার ৩০৭ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ৯২ জন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও সিলেটের বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একাধিক রোগীর স্বজনের অভিযোগ, জায়গার তীব্র সংকট তো রয়েছেই, তার ওপর জরুরি ওষুধপত্রও মিলছে না। বাধ্য হয়ে তাঁদের অধিকাংশ ওষুধই বাইরের ফার্মেসি থেকে চড়া দামে কিনে আনতে হচ্ছে।

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, হবিগঞ্জে হামে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ২০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন, যাদের বড় অংশই সিলেট ও ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সবশেষ গত বৃহস্পতিবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় চুনারুঘাট উপজেলার ১৪ মাস বয়সী শিশু মাহবুব রহমান।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার জানান, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী আসায় চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনায় তাদের বেগ পেতে হচ্ছে। তিনি অভিভাবকদের শিশুদের যথাসময়ে হামের টিকা দেওয়ার তাগিদ দেন। একই সাথে শিশুদের জ্বর, শরীরে লালচে দানা, কাশি কিংবা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে বিলম্ব না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু