
সম্প্রতি একটি ফেসবুক পোস্টে জামায়াত-শিবিরের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশের একজন বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা (মাদানী)। সাবেক সংসদ সদস্য ও বাউল শিল্পী মমতাজের উদাহরণ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড খোলামেলা হলেও, বর্তমানের এই চর্চা ইসলামের নামে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত বর্তমানে পশ্চিমাদের সমর্থন পেয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার আশায় দেশের ইসলামপন্থীদের মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছে। তার মতে, আওয়ামী লীগের অধ্যায় শেষ ধরে নিয়ে এবং বিএনপি ক্ষমতার কাছাকাছি থাকায়, দলটি ভাবছে আগামীতে তাদের সুযোগ সুনিশ্চিত। তবে মূল বাধা হিসেবে তারা পশ্চিমাদের মনোভাবকে দেখছে।
বক্তা আরও বলেন, উপদেষ্টা রেজওয়ানা হাসানের বক্তব্যের সূত্র ধরে বোঝা যায়—পশ্চিমা বিশ্বকে সন্তুষ্ট করতেই নিজেদের সেক্যুলার ও আধুনিক হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা চলছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযয়ে মেয়েদের বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং সেখানে নারী এমপির মাধ্যমে পুরষ্কার বিতরণের মতো সাম্প্রতিক ঘটনার সমালোচনা করে একে ইসলামবিরোধী অবস্থান হিসেবে দেখান।
জামায়াত-শিবিরের প্রতি নিজের অতীত সহানুভূতি ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ইতিপূর্বে তিনি তাদের বিরোধিতা করেননি। তবে পশ্চিমাদের খুশি করতে গিয়ে ইসলামপন্থীদের চ্যালেঞ্জ জানালে তিনি কেবল ইস্যুভিত্তিক বিরোধিতায় সীমাবদ্ধ থাকবেন না।
সর্বশেষ সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি লেখেন, “আমাকে মেরে ফেলা না হলে, আমি একা বিরোধিতায় লাগলে লোড নিতে পারবেন না।” তিনি প্রয়াত আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে দলটিকে এই অবস্থান থেকে সরে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান।
প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত তার এই ফেসবুক পোস্টটিতে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন সংগৃহীত হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























