
ইলন মাস্ক আবারও বিশ্ব ইতিহাসের প্রথম ‘ট্রিলিয়নিয়ার’ বা এক লাখ কোটি ডলারের ধনকুবের হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। স্পেসএক্স (SpaceX) এবং টেসলার (Tesla) শেয়ারের অব্যাহত দরবৃদ্ধির ওপর ভর করে মার্কিন শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর পরই তাঁর মোট সম্পদ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।
এর আগে গত জুনে ফোর্বসের ধনী তালিকায় প্রথমবারের মতো ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে নাম লিখিয়েছিলেন মাস্ক। কিন্তু পরবর্তী সময়ে শেয়ারের বাজারে মন্দা আসায় সেই অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।
ফোর্বসের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, মাত্র এক দিনেই মাস্কের নিট সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৩০.৬ বিলিয়ন (৩ হাজার ৬০ কোটি) ডলার। এর মাধ্যমে তিনি তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা আমাজনের প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোসের থেকে অনেক ব্যবধানে এগিয়ে গেলেন। বেজোসের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৭১.৫ বিলিয়ন ডলার।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে মাস্কের মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্যে রেকর্ড তৈরি হয়:
স্পেসএক্স: এক সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ১৭.৬১% বৃদ্ধি পেয়ে ১৭১ ডলারে পৌঁছায়। স্টারশিপ রকেটের সফল কক্ষপথ যাত্রা এবং আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান মর্গ্যান স্ট্যানলির ইতিবাচক পূর্বাভাসের কারণেই এই বিপুল প্রবৃদ্ধি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একই সময়ে টেসলার শেয়ারদর ৫.৯৫% বেড়ে ৩৭৮ ডলারে গিয়ে ঠেকে। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি বৈদ্যুতিক গাড়ি গ্রাহকদের হাতে তুলে দেওয়ার সংবাদটি শেয়ারের দর বাড়াতে সহায়তা করেছে।
একদিকে যখন সম্পদের রেকর্ড ভাঙছেন, অন্যদিকে নতুন আইনি বিতর্কেও নাম জড়িয়েছে এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তার। অস্কারজয়ী পরিচালক অ্যালেক্স গিবনি নির্মিত চার ঘণ্টার দীর্ঘ ডকুমেন্টারি ‘মাস্ক’ আগামী শুক্রবার নিউ ইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলেসের সিনেমা হলে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
তবে চলচ্চিত্রটির কড়া সমালোচনা করেছেন মাস্ক। এতে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে দাবি করে নির্মাতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলারও হুমকি দিয়েছেন তিনি।
অনলাইন ডেস্ক 
























