
তেহরানের সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় নিজেদের বিমান বাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সামরিক গোয়েন্দা বিভাগকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রেখেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ওয়ালা’-এর একটি প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েল ও মার্কিন পেন্টাগন বর্তমানে অভূতপূর্ব নিরাপত্তা ও অপারেশনাল সমন্বয়ের পর্যায়ে রয়েছে। এর অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে কোনো বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে, ওয়াশিংটন তা তেল আবিবকে আগে থেকেই জানিয়ে দেবে—এমন একটি বোঝাপড়া হয়েছে। এই পূর্ব সতর্কবার্তা পেলে ইসরায়েল সম্ভাব্য ইরানি প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করার পর্যাপ্ত সময় পাবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালুর আশঙ্কায় ওয়াশিংটন ও তেল আবিব যৌথভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন গুঞ্জন জোরালো হওয়ার পরই এই তথ্য প্রকাশ পেল।
অন্যদিকে, ‘জেরুজালেম পোস্ট’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনুরোধ করলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও মার্কিন নেতৃত্বাধীন এই অভিযানে সরাসরি অংশ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। ইসরায়েলি ও আমেরিকান সূত্রের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, গত সপ্তাহে ইসরায়েলের নেভাতিম এবং উভদা বিমানঘাঁটিতে দশটিরও বেশি মার্কিন সামরিক পরিবহন বিমান অবতরণ করেছে এবং সেখানে অতিরিক্ত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।
পৃথক আরেক প্রতিবেদনে ‘জেরুজালেম পোস্ট’ জানিয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরাসরি ট্রাম্পকে ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানি সরকারের পতনের লক্ষ্যেই এই যৌথ আক্রমণ পরিচালনার অনুরোধ জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। এছাড়া, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক কিছু গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের কাছে সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর একটি আপডেট করা তালিকাও হস্তান্তর করেছেন।
অনলাইন ডেস্ক 























