
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত চার আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে বয়সে ছোট হওয়ায় মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসানকে (১৬) গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্য দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়ামকে (১৯) রাখা হচ্ছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম রবিবার রাতে বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, পুলিশের হেফাজতে থাকা চার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার প্রদেয় নির্দেশনা অনুযায়ী দুই কিশোরকে টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হবে। কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খানও চার আসামির হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান জানান, রবিবার রাতেই গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে সিয়াম ছাড়া বাকি তিনজন আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে রোববার দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, মূলত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই কিশোর অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে।
উল্লেখ্য, নিহত ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে। গত শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পরদিন শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের লালমাই সানন্দা পাহাড় সংলগ্ন জঙ্গল থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
অনলাইন ডেস্ক 

























