Dhaka ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
৫৫ বছরেও গড়ে ওঠেনি পণ্যের বছরব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থা: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রবীণদের সংখ্যা ছাড়াল শিশু! চীনের সামনে নতুন demographic বা জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জ বিসিআইসিতে দুর্নীতির পাহাড়: দুদকের জালে সাবেক চেয়ারম্যান ও এমডিসহ প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ইসলামী ব্যাংক থেকে ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদ ও তাঁর স্ত্রীসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা অনুমোদন ছাড়াই প্ল্যান্ট নির্মাণ: সুপার পেট্রোকেমিক্যালের বৈধতা পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির অডিট আপত্তি: চাকরিবিধি ছাড়াই নিয়োগ ও বয়স নিয়ে প্রশ্ন অনুমোদিত শয্যার তিন গুণ রোগীর চাপ, সংকটের আড়ালে চিকিৎসকদের নীরব সংগ্রাম কুয়াকাটায় সাঈদীপুত্রর ‘ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’র নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন মাদারীপুর এলজিইডিতে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ: সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল আখতারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড় পট পরিবর্তনেও বদলায়নি দৃশ্যপট: সিন্ডিকেটের কবজায় বিএডিসির বীজ ও কোটি টাকার কাজ

ভুয়া বিল বানিয়ে রেলওয়ের প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: দুদককের মামলায় ১৪ জন আসামি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার

বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ১৪ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) চট্টগ্রামের দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযুক্তদের তালিকায় রেলওয়ে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং সীমান্ত ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

রেলওয়ে বিভাগ: অস্থায়ী কর্মচারী মো. হাবিবুল্লাহ খান, সাবেক অডিটর পবন কুমার পালিত, জুনিয়র অডিটর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান ও খোকন চন্দ্র দে, হিসাব কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন, হিসাবরক্ষক সৈয়দ মো. সাইফুর রহমান, হিসাব কর্মকর্তা মো. আবু নাছের এবং অফিস সহায়ক মো. মাকসুদুর রহমান।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন: লাইসেন্স ও বিজ্ঞাপন পরিদর্শক মুহাম্মদ ইকবাল, সাবেক উপকর কর্মকর্তা এম. মনজুর উদ্দিন চৌধুরী এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি: সাবেক অফিসার মো. পারভেজ, রিলেশনশিপ ম্যানেজার বিদেশ বড়ুয়া এবং সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক গোলাম মোহাম্মদ ফরহাদ সরওয়ার।

দুদকের এজাহার অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যে জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। ‘মেসার্স দি কসমোপলিটন করপোরেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চারটি বৈধ বিলের বাইরে অতিরিক্ত ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার একটি সম্পূর্ণ ভুয়া বিল তৈরি করে অর্থ পরিশোধ করা হয়।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর এই পরিমাণের একটি চেক ইস্যু করা হয় এবং পরদিনই তা সীমান্ত ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে খোলা একটি অ্যাকাউন্টে জমা দিয়ে সম্পূর্ণ টাকা তুলে নেওয়া হয়। রেলওয়ের বিল রেজিস্টারে এই ভুয়া বিলের কোনো বৈধ এন্ট্রি বা নিয়ম মেনে যাচাই-বাছাই করা হয়নি।

এছাড়া, ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ‘কোহিনুর আক্তার’ নামের এক নারীর পরিচয় ব্যবহার করা হলেও, প্রকৃত কোহিনুর আক্তার নিজেকে একজন সাধারণ শ্রমিক দাবি করে এই জালিয়াতির সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে অস্বীকার করেছেন।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে ভুয়া পরিচয়ে জড়িত থাকা অন্য ব্যক্তি বা অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের আওতায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

৫৫ বছরেও গড়ে ওঠেনি পণ্যের বছরব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থা: বাণিজ্যমন্ত্রী