
ইউক্রেন ও ন্যাটোকে দেওয়া বিপুল সামরিক সহায়তার অর্থ ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছ থেকেই ফেরত আদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাবেক জো বাইডেন প্রশাসনের নীতিকে দায়ী করে তিনি জানান, ইউরোপের এই আর্থিক দায় মেটানোর কথা থাকলেও তা পূর্বে দাবি করা হয়নি। তবে এবার যুক্তরাষ্ট্র সেই বকেয়া অর্থ ফেরত চাইবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন, নিজস্ব সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করতে মিত্রদের কাছে আপাতত অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হচ্ছে। উৎপাদিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ দেশের নিজস্ব মজুত সমৃদ্ধ করতে ব্যবহার করা হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, শীঘ্রই এই সরবরাহ আবার চালু করা হবে। তবে মার্কিন গোলাবারুদের তীব্র সংকটের খবরকে তিনি উসকানিমূলক বলে উড়িয়ে দেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, পূর্বের একটি ব্যবস্থার আওতায় ইউরোপীয় দেশগুলোর অর্থায়নে ইউক্রেনে মার্কিন অস্ত্র পৌঁছাত। তবে সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কারণে মার্কিন অস্ত্রাগার খালি হওয়ার খবর নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।
এদিকে, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার যৌথ প্রভাবে বিশ্ববাজারে আবারও তেলের দাম ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের পাশাপাশি সম্প্রতি রাশিয়ার তেল অবকাঠামোয় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলাকে আংশিকভাবে দায়ী করেছেন। হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হচ্ছে, যা আগামী বছরের মার্কিন নির্বাচনেও রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে।
অনলাইন ডেস্ক 

























