Dhaka ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩ শ্যালিকাকে বিয়ে ও টিকটক বিতর্ক: গ্রামবাসীর সামনে ক্ষমা চাইলেন শ্যালিকা, কান ধরে তওবা করলেন শ্বশুর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে ইনশাআল্লাহ – মাওলানা বোরহান উদ্দিন। বারেকের শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও দূর্নীতি আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্য অসতর্ক শব্দচয়ন ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত ঢাকা গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিডিএ চেয়ারম্যান ও ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ, ৩ দিনের আইনি নোটিশ তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিপিপি শীঘ্রই, দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করার পরিকল্পনা: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ব্যালন ডি’অর না পাওয়ার আক্ষেপ নেই, ইয়ামাল বললেন—‘একদিন আমার সময়ও আসবে’ আইনি জটিলতা ও সম্মানহানির অভিযোগে ফেসবুকে মুখ খুললেন তানজিন তিশা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন: প্রধান প্রকৌশলীর টেবিলেই বছরে ২৫ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৯ বার

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) ঠিকাদারি কাজের টেন্ডার ও বিল নিষ্পত্তিতে প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার দেনায় জর্জরিত চসিক যখন অর্থসংকটে ভুগছে, ঠিক সে সময়েই এ ধরনের অনৈতিক লেনদেনের খবর চসিকের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রয়াসকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

কমিশন বাণিজ্যের চিত্র ও হিসাব

  • চসিকের চলমান বাজেট: চসিকে বর্তমানে ২৪৯১ কোটি টাকার বিমানবন্দর সড়ক উন্নয়ন, ১২৩০ কোটি টাকার কুলগাঁও বাস টার্মিনাল নির্মাণ, ১৩০০ কোটি টাকার বারইপাড়া খাল খনন এবং ৩০৯ কোটি টাকার সেবক নিবাস নির্মাণসহ বড় কয়েকটি প্রকল্প চলছে। এসব প্রকল্প ও রাজস্ব খাত মিলিয়ে বছরে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়।

  • কমিশনের হার: চসিকের একাধিক সূত্রের দাবি, টেন্ডার ও বিল প্রক্রিয়াকরণে প্রধান প্রকৌশলীকে ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দিতে হয়। এমনকি সরকারি ভ্যাট ও ট্যাক্সের কর্তনকৃত অর্থ এবং প্রাক্কলন (এস্টিমেট) তৈরির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট হারে কমিশন আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

  • বার্ষিক অনিয়মের পরিমাণ: সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব প্রক্রিয়া থেকে শুধু একটি টেবিল থেকেই বছরে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন হয়, যার সঙ্গে কিছু প্রকল্প পরিচালক ও প্রকৌশলীও যুক্ত রয়েছেন।

কাজের গুণগত মান ও অবকাঠামোর ওপর প্রভাব নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঠিকাদারদের দাবি, বিল ছাড় করাতে ধাপে ধাপে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিতে হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করছেন। এর ফলে নতুন নির্মিত সড়ক ও অবকাঠামো অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং সরকারের রাজস্বের বিপুল অপচয় ঘটছে।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অভিযোগের বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার দপ্তরে তাকে পাওয়া যায়নি এবং চসিক ওয়েবসাইটে থাকা যোগাযোগ নম্বরগুলোতেও তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, চসিকের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিন জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তার কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই। তবে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩