Dhaka ০৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিলেট সিটি করপোরেশনে হরিলুট: সিন্ডিকেটের শত কোটি টাকার দুর্নীতি ও জালিয়াতির সাম্রাজ্য উন্মোচিত উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উচ্চশিক্ষার ওপর জোর দিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারির সুপারিশ সংসদীয় কমিটির দুর্গাপুজোর টিকিট বিক্রিতে আর্থিক অনিয়ম: কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা উরুর চোটে মাঠের বাইরে জোয়াও পেদ্রো ভূরুঙ্গামারীতে ৪ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইলসহ আন্তঃজেলা চোরাকারবারি চক্রের প্রধান গ্রেফতার ভোর রাতে গোবিপ্রবির বনলতা ও অপরাজিতা হলে চুরি: নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ শিক্ষার্থীদের সমুদ্রের প্রলয়ংকরী ঝড়ের নামকরণ যেভাবে হয়, আসছে যে ১০ নাম ছোটপর্দায় নতুন যাত্রায় অভিনেত্রী নূপুর আহসান, আসছে ৭টি নতুন প্রজেক্ট

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন: প্রধান প্রকৌশলীর টেবিলেই বছরে ২৫ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৮ বার

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) ঠিকাদারি কাজের টেন্ডার ও বিল নিষ্পত্তিতে প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার দেনায় জর্জরিত চসিক যখন অর্থসংকটে ভুগছে, ঠিক সে সময়েই এ ধরনের অনৈতিক লেনদেনের খবর চসিকের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রয়াসকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

কমিশন বাণিজ্যের চিত্র ও হিসাব

  • চসিকের চলমান বাজেট: চসিকে বর্তমানে ২৪৯১ কোটি টাকার বিমানবন্দর সড়ক উন্নয়ন, ১২৩০ কোটি টাকার কুলগাঁও বাস টার্মিনাল নির্মাণ, ১৩০০ কোটি টাকার বারইপাড়া খাল খনন এবং ৩০৯ কোটি টাকার সেবক নিবাস নির্মাণসহ বড় কয়েকটি প্রকল্প চলছে। এসব প্রকল্প ও রাজস্ব খাত মিলিয়ে বছরে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়।

  • কমিশনের হার: চসিকের একাধিক সূত্রের দাবি, টেন্ডার ও বিল প্রক্রিয়াকরণে প্রধান প্রকৌশলীকে ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দিতে হয়। এমনকি সরকারি ভ্যাট ও ট্যাক্সের কর্তনকৃত অর্থ এবং প্রাক্কলন (এস্টিমেট) তৈরির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট হারে কমিশন আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

  • বার্ষিক অনিয়মের পরিমাণ: সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব প্রক্রিয়া থেকে শুধু একটি টেবিল থেকেই বছরে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন হয়, যার সঙ্গে কিছু প্রকল্প পরিচালক ও প্রকৌশলীও যুক্ত রয়েছেন।

কাজের গুণগত মান ও অবকাঠামোর ওপর প্রভাব নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঠিকাদারদের দাবি, বিল ছাড় করাতে ধাপে ধাপে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিতে হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করছেন। এর ফলে নতুন নির্মিত সড়ক ও অবকাঠামো অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং সরকারের রাজস্বের বিপুল অপচয় ঘটছে।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অভিযোগের বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার দপ্তরে তাকে পাওয়া যায়নি এবং চসিক ওয়েবসাইটে থাকা যোগাযোগ নম্বরগুলোতেও তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, চসিকের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিন জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তার কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই। তবে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

সিলেট সিটি করপোরেশনে হরিলুট: সিন্ডিকেটের শত কোটি টাকার দুর্নীতি ও জালিয়াতির সাম্রাজ্য উন্মোচিত