
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার শিলা বেগম (৩৯) নামে সংরক্ষিত এক ইউপি সদস্য পারিবারিক কলহে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সেরাল গ্রামের ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
শিলা বেগম সেরাল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালাম হাওলাদারের কন্যা। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ মহিলা আওয়ামী লীগের আগৈলঝাড়া উপজেলার শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও গৈলা ইউপির ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ইউপি সদস্য। তিনি একই ইউপির সাধারণ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুল ইসলাম মারুফ সেরনিয়াবাতের দ্বিতীয় স্ত্রী।
শিলা বেগমের বাবা সালাম হাওলাদারের অভিযোগ, কারণে-অকারণে তার মেয়েকে জামাতা মারুফ মারধর করতেন। দুপুরে তার কন্যাকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। নির্যাতন সইতে না পেরে ভাড়া ঘরের কক্ষে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস নেন শিলা।
পরিবারের বরাতে আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. মাসুদ খান জানান, মেয়েকে স্কুটি কিনে দেওয়া নিয়ে সেরাল গ্রামের ভাড়াটিয়া বাসায় স্বামী মারুফের সঙ্গে শিলার পারিবারিক কলহ ও হাতাহাতি হয়। বিকেল তিনটার দিকে শিলা ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস নেন। স্থানীয়রা টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
ওসি জানান, এ ঘটনায় শিলার বাবা অভিযোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























