
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বন্ধন আরও শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, যেকোনো পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উভয় দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব অভিমত ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত মূল বিষয়সমূহ:
-
শুভেচ্ছা ও যৌথ সহযোগিতা: বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে একত্রে কাজ করার ব্যাপারে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
-
অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অবস্থান: বাংলাদেশের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করা অনুচিত। সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে নির্বাচিত সরকারই তার দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রাখে।
-
জনগণের যোগাযোগ ও সমতা: ভৌগোলিক সীমানার পাশাপাশি দুটি দেশ পরস্পর স্বপ্নও ভাগাভাগি করে। প্রতিবেশী হিসেবে উভয় দেশ সমান মর্যাদার অধিকারী—এখানে বড় বা ছোট বলে কিছু নেই। নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের ইতিবাচক প্রভাব যেন সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে, সে বিষয়ে উভয় দেশেরই দায়বদ্ধতা রয়েছে।
-
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা: দুই দেশের সার্বিক অগ্রগতি বজায় রাখতে একে অপরের গণতান্ত্রিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে যৌথভাবে সমাধান খোঁজার ওপর জোর দেন তিনি।
উভয় দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মেলবন্ধন বজায় রেখে প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান ভারতীয় হাইকমিশনার।
অনলাইন ডেস্ক 

























