
ইরানকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার নজিরবিহীন হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো হামলার শিকার হয় এবং ইরান তার প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর আরও ভয়াবহ ও ব্যাপক মাত্রায় পাল্টা আঘাত হানা হবে।
ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, এই সংঘাত শেষ হলে শেষ পর্যন্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের অস্তিত্ব বলতে গেলে কিছুই থাকবে না।
তবে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছালেও ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সোমবার ওভাল অফিসে এক সাংবাদিক পারমাণবিক হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প ঘটনাটিকে সম্পূর্ণ ‘বোকামি’ বলে আখ্যা দেন।
এদিকে ওয়াশিংটনের এমন চরম হুমকির বিপরীতে তেহরানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি ঘোষণা করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। সানায় হুতি পরিচালিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন বাহিনীর সামরিক পদক্ষেপ ইরানের মনোবল কোনোভাবেই ভেঙে দিতে পারবে না।
একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নিজেদের আত্মরক্ষার্থে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
ইয়েমেনি বার্তা সংস্থা ‘সাবা নিউজ’-এ প্রকাশিত বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগী দেশগুলোকে দায়ী করা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব আঞ্চলিক দেশ মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের ভূমি বা আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্যেও কঠোর বার্তা দিয়েছে হুতিরা। বিবৃতিতে স্পষ্ট জানানো হয়, মার্কিন আগ্রাসনের অংশীদার হলে কিংবা তাদের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে দিলে ওই দেশগুলোকেও এর ‘ভারী মাশুল’ গুনতে হবে।
অনলাইন ডেস্ক 

























