Dhaka ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোতে ঐতিহাসিক পরিবর্তন: বাড়ছে সেনাপ্রধানের ক্ষমতা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০৪:২১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পরিচালন কাঠামোতে এক যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক পরিবর্তন এনেছে দেশটির আইনসভা। সম্প্রতি জাতীয় পরিষদে তড়িঘড়ি করে পাস হওয়া নতুন আইনের মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধানের হাতকে আরও শক্তিশালী ও সামরিক ক্ষমতার একক কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে।

গত ২০ আগস্ট দেশটির সংসদে ‘পাকিস্তান ডিফেন্স ফোর্সেস অ্যাক্ট, ২০২৬’ এবং ‘ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি অ্যাক্ট’-এর সংশোধনী অনুমোদিত হয়। এই আইনগত ভিত্তির মাধ্যমে পূর্বগঠিত ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ (সিডিএফ) পদটি পূর্ণ আইনি বৈধতা পেল। উল্লেখ্য, ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার পর থেকেই এ ধরনের পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার দ্রুত অনুমোদন ও মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সংসদে পাসের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হলো।

মূল পরিবর্তনসমূহ

  • একক অপারেশনাল কমান্ড: ১৯৭৬ সালের পুরোনো ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে ‘জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটি’ (সিজেসিএসসি)-র পরিবর্তে গঠন করা হয়েছে ‘ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স’। নতুন আইনে সিডিএফ পদটিতে আসীন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে সেনাপ্রধানের পাশাপাশি স্থল, নৌ ও বিমান—তিন বাহিনীরই সরাসরি পরিচালনাগত নিয়ন্ত্রণ (অপারেশনাল কমান্ড) দেওয়া হয়েছে।

  • পারমাণবিক অস্ত্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ: দেশের পারমাণবিক অস্ত্র পরিচালনা সংক্রান্ত কমান্ডের শীর্ষ পদটি এখন থেকে কেবল সেনাবাহিনীর জন্যই সংরক্ষিত থাকবে। নৌ ও বিমান বাহিনীকে এই পদ থেকে বাদ দেওয়ায় অন্য দুই বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও ক্যারিয়ার নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

  • বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ শিথিল: ইতিপূর্বে সামরিক কর্মকর্তাদের বরখাস্ত বা অবসরে পাঠানোর এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার ওপর ন্যস্ত থাকলেও, নতুন বিধানে এই একক ক্ষমতা এখন সিডিএফ-এর হাতে চলে গেছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর আধিপত্য যেমন চূড়ান্তে পৌঁছাল, তেমনি সামরিক বাহিনীর ওপর নির্বাচিত সরকারের গণতান্ত্রিক নজরদারি অনেকটাই বিলুপ্ত হলো বলে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু