
যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে
ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজে আক্রমণ চালায়, তবে তার কড়া জবাব হিসেবে দেশটির পুরো তেলবাহী ট্যাংকার বহর ধ্বংস করে ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সমীকরণটি অত্যন্ত স্পষ্ট—মার্কিন জাহাজে হামলা না চালালেই ইরান নিরাপদে থাকবে। অন্যথায় তাদের তেল ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনীর দুর্বলতার কথা উল্লেখ করে হেগসেথ জানান, তাদের তেল ট্যাংকার বহর পুরোপুরি অরক্ষিত এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন সহজেই সেগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের হুমকি ও হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অব্যাহত আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিণতির জন্য তাদেরই দায়ী থাকতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। এছাড়া, ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র হাসান গাশঘাভি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে আক্রমণকে ‘অস্তিত্বের লড়াই’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই নৌ অবরোধ শুরু করাই উচিত হয়নি।
সংস্করণ ২: ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার সার্বিক প্রেক্ষাপট কেন্দ্র করে
আমেরিকা ও ইরানের বিদ্যমান সামরিক উত্তেজনায় যুক্ত হলো নতুন হুঁশিয়ারি। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌ অবরোধ ও সংঘাতের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজে হামলা চালানোকে নিজেদের ‘অস্তিত্বের লড়াই’ হিসেবে দেখছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র হাসান গাশঘাভি স্পষ্ট জানান, যুক্তরাষ্ট্র এই নৌ অবরোধ তৈরি করে ভুল পদক্ষেপ নিয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ও মার্কিন পদক্ষেপকে আগ্রাসী ও হস্তক্ষেপমূলক আখ্যা দিয়ে সতর্ক করেছে যে, উদ্ভূত পরিস্থিতির সম্পূর্ণ দায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের বহন করতে হবে।
ইরানের এই কড়া অবস্থানের জবাবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সরাসরি তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। তিনি জানান, মার্কিন জাহাজে কোনো রূপ আঘাত আসলে ইরানের সম্পূর্ণ তেল ট্যাংকার বহর ডুবিয়ে দেওয়া হবে। হেগসেথের দাবি, ইরানের কার্যকর কোনো নৌ বা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় মার্কিন সাবমেরিন ও যুদ্ধজাহাজের জন্য তাদের ট্যাংকার ধ্বংস করা অত্যন্ত সহজ।
অনলাইন ডেস্ক 

























