
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত ও উদ্ভূত নানা সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। প্রবাসীদের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়নে তাদের অবদান অনস্বীকার্য।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
সংসদে উত্থাপিত বক্তব্য অনুযায়ী সরকারের নেওয়া প্রধান পদক্ষেপগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
-
আইনি ও কূটনৈতিক সেবা: বিশ্বের ২৭টি দেশে ৩০টি শ্রম কল্যাণ উইং প্রবাসীদের সেবায় কাজ করছে। এছাড়া ১১টি দেশের ১৩টি কনস্যুলেটে ২২টি নিবন্ধিত ল’ ফার্ম নিয়োজিত রয়েছে, যা বিপদে পড়া প্রবাসীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শ ও সুরক্ষা দিচ্ছে।
-
সেফ হোম পরিচালনা: সৌদি আরবের রিয়াদ ও জেদ্দা এবং ওমানের মাস্কাটে নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনটি ‘সেফ হোম’ চালু রয়েছে।
-
ইউএই-তে ৪ হাজার ভিসা জটিলতা নিরসন: মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংকটের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা বাতিল হওয়া প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশির সমস্যা সমাধানে প্রবাসী কল্যাণ, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
-
আর্থিক সহায়তা ও অনুদান: বিএমইটি কার্ডধারী প্রবাসীদের জন্য ‘ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড’ থেকে অসুস্থতায় জরুরি চিকিৎসা, সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি ও বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রবাসে কোনো কর্মীর মৃত্যু হলে মরদেহ আনায়ন ও দাফন-কাফন বাবদ মোট ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক অনুদান দেওয়া হচ্ছে।
-
‘হোয়াইট কলার’ বা দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি: প্রধানমন্ত্রী বিদেশে সাধারণ শ্রমিকের পরিবর্তে উচ্চতর কারিগরি ও পেশাগত (হোয়াইট কলার) চাকরির সুযোগ তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন। সে লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের ‘ডিমান্ড ম্যাপিং’ প্রস্তুত করে তরুণদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























