
সরকারী কাজের গতি বৃদ্ধি এবং দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি। বর্তমান সরকারের শাসনামলে অনুষ্ঠিত প্রথম সচিব সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
সভায় উত্থাপিত মূল সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনাসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
-
দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা: সরকারি অফিসে অনিয়ম ও ঘুস নেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রতিটি পদে দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
-
তদবিরমুক্ত ও দ্রুত নিয়োগ: সব সরকারি শূন্য পদে দ্রুত জনবল নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রলোভন বা যেকোনো রাজনৈতিক/ব্যক্তিগত তদবিরের ঊর্ধ্বে রেখে পুরোপুরি প্রশাসনিক ও আইনানুগভাবে সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।
-
সময়ানুবর্তিতা ও মনিটরিং: কর্মকর্তাদের অফিসে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে এবং কোনো ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না।
-
ই-নথি ও প্রশাসনিক গতিশীলতা: কাজ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ই-নথি চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। কোনো ফাইল সিদ্ধান্ত ছাড়া ফেলে রাখা যাবে না; সমস্যা থাকলে কারণ উল্লেখ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে।
-
জ্বালানি সংকট ও সোলার প্যানেল: বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের সব সরকারি স্থাপনায় সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য আগামী ৫ বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।
-
কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ: সার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জনগণ যেন সরকারি সেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ না করে, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত সব সরকারি সংস্থাকে সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অনলাইন ডেস্ক 

























