
বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, মালিকদের নিজ উদ্যোগে নির্ধারিত মাপে সামনের নম্বর প্লেট তৈরি ও স্থাপন করতে হচ্ছে। হঠাৎ চাপের কারণে কারিগররা কাজ বুঝিয়ে দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। সাধারণত একটি প্লেট তৈরি করতে যেখানে ৪০ মিনিট লাগতো, সেখানে অতিরিক্ত চাপের কারণে ক্রেতাদের এখন এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
দোকানিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মান ও উপকরণভেদে প্রতিটি প্লেটের দাম রাখা হচ্ছে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। অ্যালুমিনিয়ামের প্লেটের দাম তুলনামূলক কম (১৫০–২৫০ টাকা) হলেও স্টেইনলেস স্টিলের প্লেটের চাহিদা ও স্থায়িত্ব দুটোই বেশি।
বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী স্কুটার ও সাধারণ মোটরসাইকেলের মাপ আলাদা করা হয়েছে:
স্কুটার: দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার।
অন্যান্য মোটরসাইকেল: দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার।
উপাদান ও রঙ: স্টেইনলেস স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি প্লেটের পটভূমি সাদা এবং তাতে কালো রঙের বাংলা হরফে সংখ্যা ও অক্ষর লিখতে হবে (উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার)। প্লেটে কোনো অতিরিক্ত নকশা বা সাজসজ্জা রাখা যাবে না।
নম্বর প্লেট লাগানোর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বেশিরভাগ চালক ও মালিক। তাদের মতে, অনেক সময় অপরাধীরা পেছনের নম্বর প্লেট ঢেকে রাখলেও সামনে প্লেট থাকলে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী ও অপরাধে জড়িত যান শনাক্ত করা অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি প্রযুক্তনির্ভর নজরদারিতেও এটি দারুণ ভূমিকা রাখবে।
তবে অতিরিক্ত চাপ এড়াতে ও সাধারণ চালকদের স্বস্তি দিতে বিআরটিএর নির্ধারিত সময়সীমা কিছুটা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন কেউ কেউ। এখন দেখার বিষয়, বেঁধে দেওয়া এই স্বল্প সময়ের মধ্যে শতভাগ মোটরসাইকেলে নতুন এই নির্দেশনা কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।
অনলাইন ডেস্ক 

























