
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো ফ্লাভিও বলসোনারো দাবি করেছেন, তিনি পালিয়ে যাননি; বরং দেশের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফ্লোরিডার মিয়ামিতে পৌঁছানোর পর দেওয়া প্রথম বিবৃতিতে তিনি এই দাবি করেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ফ্লাভিওর দেশত্যাগ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ধোঁয়াশা ও জল্পনা চলে। আর্জেন্টিনার সীমান্ত পেরিয়ে ব্যক্তিগত বিমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান বলে জানা যায়। ফ্লাভিওর দাবি, রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়ে এবং পরিবারের সুরক্ষার জন্যই তাকে এই পথ বেছে নিতে হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনে ‘কারচুপির’ অভিযোগও পুনরায় উত্থাপন করেন তিনি।
অন্যদিকে, ফ্লাভিওর এমন গোপনীয় দেশত্যাগের তীব্র সমালোচনা করেছেন পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তিনি মন্তব্য করেন, যাদের লুকানোর কিছু নেই, তাদের ভয়েরও কিছু নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তারা ফ্লাভিও ও তার পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছেন।
ব্রাজিলে ফ্লাভিওর বিরুদ্ধে ব্যাংকো মাস্টার থেকে অর্থ স্থানান্তর এবং অর্থ পাচার সংক্রান্ত দুটি ফৌজদারি তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সকল অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন এই ডানপন্থি নেতা।
অনলাইন ডেস্ক 

























