
দেশের সব ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি বা পরিচালনা পর্ষদ বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে তৈরি হওয়া প্রক্রিয়ায় হাইকোর্ট বেঞ্চের একটি গুরুত্বপূর্ণ আদেশ এসেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত বিষয়ে আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন।
এর আগে গত ১৯ অক্টোবর ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআবি) রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে দেশের সব ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি বাতিলের কথা জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী (গত ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত) এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়। আদেশে আরও বলা হয়, মাদ্রাসাগুলোতে দ্রুত অ্যাডহক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সংবিধি-২০২৩-এর বিধি অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সভাপতি ও বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে:
সভাপতি পদ: জেলা সদরের মাদ্রাসার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং জেলা সদরের বাইরের মাদ্রাসার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বিদ্যোৎসাহী সদস্য: জেলা পর্যায়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে নিয়ম অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























