
রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানকে আরও দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) ইসরাত জাহান শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
আদালতে পুলিশের যুক্তি এদিন রাকিবুলকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন জানায় পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, আসামির একটি কল রেকর্ড বা ভয়েস অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া গেছে। এই কথোপকথনটি তিনি কার সঙ্গে করছিলেন, তা যাচাই করা এবং ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের স্বার্থেই আসামিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন।
আইনজীবীর আপত্তি ও জামিন আবেদন অন্যদিকে রিমান্ড আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিন। রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদনে তিনি বলেন, “এর আগেও তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। ওই রিমান্ডে কী তথ্য পাওয়া গেছে, তার কোনো উল্লেখ নেই। নতুন করে রিমান্ড চাওয়ার মতো কোনো সুনির্দিষ্ট ভিত্তি নেই, এটি কেবল হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।”
মামলার আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনজীবী আরও বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বক্তব্যের জেরে বড়জোর সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা হতে পারে, কিন্তু এখানে রাষ্ট্রদ্রোহের ধারা যুক্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা বড় ধরনের ক্ষতির উপাদান থাকতে হয়, যা আসামির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।”
ঘটনার প্রেক্ষাপট গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাকিবুল হাসানের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উক্ত অডিওতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, পুলিশের সক্ষমতা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক অবস্থান এবং পদে পদায়নে অর্থ লেনদেনের বিষয় নিয়ে আলোচনা ছিল।
অডিও ছড়িয়ে পড়ার পরদিনই ১৭ সেপ্টেম্বর তাকে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজারবাগে ডিএমপির কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয় এবং ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে রাজারবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রথম দফায় আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানকে আরও দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) ইসরাত জাহান শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
আদালতে পুলিশের যুক্তি এদিন রাকিবুলকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন জানায় পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, আসামির একটি কল রেকর্ড বা ভয়েস অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া গেছে। এই কথোপকথনটি তিনি কার সঙ্গে করছিলেন, তা যাচাই করা এবং ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের স্বার্থেই আসামিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন।
আইনজীবীর আপত্তি ও জামিন আবেদন অন্যদিকে রিমান্ড আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিন। রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদনে তিনি বলেন, “এর আগেও তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। ওই রিমান্ডে কী তথ্য পাওয়া গেছে, তার কোনো উল্লেখ নেই। নতুন করে রিমান্ড চাওয়ার মতো কোনো সুনির্দিষ্ট ভিত্তি নেই, এটি কেবল হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।”
মামলার আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনজীবী আরও বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বক্তব্যের জেরে বড়জোর সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা হতে পারে, কিন্তু এখানে রাষ্ট্রদ্রোহের ধারা যুক্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা বড় ধরনের ক্ষতির উপাদান থাকতে হয়, যা আসামির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।”
ঘটনার প্রেক্ষাপট গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাকিবুল হাসানের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উক্ত অডিওতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, পুলিশের সক্ষমতা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক অবস্থান এবং পদে পদায়নে অর্থ লেনদেনের বিষয় নিয়ে আলোচনা ছিল।
অডিও ছড়িয়ে পড়ার পরদিনই ১৭ সেপ্টেম্বর তাকে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজারবাগে ডিএমপির কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয় এবং ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে রাজারবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রথম দফায় আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক 

























