
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর শেরেবাংলানগর ও মিরপুর এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দুই হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও বরখাস্তকৃত মেজর মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ ও পুলিশি প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই শেরেবাংলানগর থানার ধানমণ্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ স্কুলের সামনে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার ওপর অবৈধ অস্ত্র, ককটেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে এক আন্দোলনকারী দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এবং পরবর্তীতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীর থেকে বুলেট অপসারণ করা হয়। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ একাধিক ব্যক্তিক এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, একই বছরের ৫ আগস্ট বিকেলে মিরপুর মডেল থানা সংলগ্ন প্রধান সড়কে ছাত্র-জনতার মিছিলে টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় মইনুল ইসলাম তূর্য নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তিনি দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
উভয় ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীর প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার প্রমাণ মিলেছে বলে আদালতে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বেশ কয়েকটি মামলায় এর আগে তাকে কয়েক দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি মিরপুর মডেল থানার অপর একটি হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
অনলাইন ডেস্ক 

























