
রাজধানীর রামপুরায় পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে এক অভিনব ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য একটি মোটরসাইকেল থামানোর সংকেত দিলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। শেষ পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়ে এক হাজার ৩৯টি হেরোইন সদৃশ পুরিয়াসহ দুই কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ।
গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল আটটার দিকে ডিআইটি রোডের বেটার লাইফ হাসপাতালের সামনে ওয়াপদা রোড ক্রসিংয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, রামপুরা ব্রিজ থেকে মালিবাগগামী সন্দেহভাজন একটি টিভিএস অ্যাপাচি মোটরসাইকেলকে সিগন্যাল দেওয়া হয়। এ সময় চালক ও আরোহী পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে এক পুলিশ সদস্য বাইকটি শক্তহাতে ধরে ফেলেন। বাইক ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া করা হয়। একপর্যায়ে পুলিশের ওপর চাপাতি দিয়ে হামলার চেষ্টাও চালায় তারা। তবে শেষ পর্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে তাদের দুজনকে পাকড়াও করেন দায়িত্বরত সদস্যরা।
আটকের পর তাদের সঙ্গে থাকা একটি কালো ব্যাগ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। প্রথমে তারা ব্যাগ খুলতে গড়িমসি করলেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় দুই জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় ব্যাগটির ভেতর থেকে ২১টি ছোট-বড় প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ২০টি প্যাকেটে ৫১টি করে এবং একটি প্যাকেটে ১৯টি পুরিয়া ছিল। সব মিলিয়ে মোট ১০৩৯টি হেরোইন সদৃশ পুরিয়া জব্দ করা হয়।
আটককৃতদের পরিচয় ও পরবর্তী পদক্ষেপ:
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মো. মানিক (৩০) এবং আলী (২৯)। উভয়ের বাড়ি রাজধানীর মুগদা এলাকার উত্তর মুগদায়।
ঘটনার পর রামপুরা থানা-পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটককৃত দুই ব্যক্তি, জব্দকৃত মাদক এবং মোটরসাইকেলটি নিজেদের হেফাজতে নেয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত মাদকের রাসায়নিক পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এবং মামলার সুনির্দিষ্ট বিবরণ এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
অনলাইন ডেস্ক 

























