
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় ১৪ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেন তিনি। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন।
শওকত আজিজ রাসেল পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের ছেলে। এছাড়া তিনি আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমডি এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি।
এর আগে গত ১৩ অক্টোবর একই আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শওকত আজিজ রাসেলসহ মোট আটজনকে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন—রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সদস্য এস. ডি. ফয়েজ, এ. কে. এম. ওয়াহেদুল ইসলাম, এস. এম. জাফর উল্লাহ, এইচ. এম. জহুরুল হক, মো. রেজাউল করিম তরফদার এবং রাসেলের ভাই ও পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের আরেক ছেলে আশফাক আজিজ রুবেল।
আদালতের রায় অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের উভয় ধারায় ৭ বছর করে মোট ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামিরা ওই ধারা থেকে খালাস পেয়েছেন। রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিদের হাজতবাস মূল দণ্ডাদেশ থেকে বাদ যাবে এবং উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে।
অনলাইন ডেস্ক 





















