
দেশের বিমানবন্দরগুলোতে শতভাগ নিরাপত্তা ও বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দায়িত্ব পালনে যেকোনো ধরনের অবহেলা বা শিথিলতা দেখা গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনকারীদের পুরস্কৃত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সোমবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত ‘এয়ারপোর্ট ফায়ার ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ ২০২৬’ শীর্ষক মহড়া পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীদের জীবন ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিভিন্ন সংস্থার দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে ওপর নির্ভর করে। তাই এখানে সামান্যতম গাফিলতিও মেনে নেওয়া হবে না।
এদিনের মহড়ায় ব্যাংকক থেকে ৯৮ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রু নিয়ে আসা একটি বিমানের ইঞ্জিনে অগ্নিকাণ্ডের একটি কৃত্রিম জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমানবন্দরের ফায়ার সার্ভিস, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি), উদ্ধারকারী দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলো একযোগে সমন্বিত উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
মহড়ায় অংশ নেওয়া সংস্থাগুলোর সমন্বিত ভূমিকার প্রশংসা করে বিমানমন্ত্রী জানান, দেশের বিমানবন্দরগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























