
দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কুয়েত এয়ারওয়েজের সাবেক এয়ারলাইন্স সিকিউরিটি মো. মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও উপপরিচালক জেসমিন আক্তার খুব শীঘ্রই কমিশনের ঢাকা-১ কার্যালয়ে এই মামলা দায়ের করবেন।
দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, মুজিবুর রহমান দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকার স্থাবর এবং ১১ লাখ ৫৩ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪০ লাখ ৩০ হাজার টাকার হিসাব দেখিয়েছিলেন।
তবে দুদক যাচাই-বাছাই করে তার নামে ৭১ লাখ ৯৯ হাজার টাকার স্থাবর এবং ১১ লাখ ৫৪ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকার সম্পদের সন্ধান পায়। সে হিসাবে তিনি বিবরণীতে মোট ৪৩ লাখ ২৩ হাজার টাকার সম্পদ গোপন করেছেন, যা দুদককে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার শামিল এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, মুজিবুর রহমানের পারিবারিক ব্যয় হয়েছে ৪১ লাখ ১৬ হাজার টাকা। ব্যয়সহ তার মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ১ কোটি ২৪ লাখ টাকায়। বিপরীতে তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ৭৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তার নামে ৪৯ লাখ ৬৮ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে, যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযুক্ত মুজিবুর রহমানের স্ত্রী রাবেয়া বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ওই মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে মো. মুজিবুর রহমানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























